কলাবৌ


 এখন আমার মাঝরাতে কলাবৌ দেখতে ইচ্ছে করে 
কলাবৌ! বড় স্পর্শকাতর এই নাম
উচ্চারণমাত্র বুকের ভেতর হু হু করে ওঠে
 
একদিন দীপালী ঘোষ কলাবৌ সেজে আমাকে বলেছিল-
'এবার পূজায় ঢাকায় শাড়ি না দিলে,
 
মা দূর্গার সাথে আমিও ঝাপ দেবো জলে'
মধ্যরাতে বাতাস ভারী করে ডুকরে ওঠে একলা পাখি
 
নিস্তব্ধ হয়ে যায় সমস্ত চরাচর
নিস্তরঙ্গ নদীর ঢেউ
 
চারদিকে টের পাই অশ্রুত গান্ধারে
 
ভেসে আসছে বেঠোফেনের দুঃখিত সুর
 
আকাশে-বাতাসে স্মৃতির পোড়া গন্ধ
 
বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে ওঠে চাপা কান্না
দীপালীর মুখ বিস্মৃত গাঙচিল
 
চোখের জলে ভিজে যায় চোখ
 
জোছনায় ভেজা মাতাল রাত
 
দূরের শ্মশান, কবিতার শব্দাবলি!
তারিখঃ ২০-১২-২০১৬ খ্রি., রাত- ৯ টা, খাঁচা।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাশিয়ার কবিতা

তোমার জন্য রজনীগন্ধা দিন

জার্মানির কবিতা