লী ব্রাউন

উৎসর্গ- জাপানিজ কবি লী অ্যান ব্রাউনকে


দিনঘড়িতে তখন পাঁচটা বাজে 
আমি রডোডনড্রেন গুচ্ছ হাতে দাঁড়িয়ে আছি
 
একটা বোম্যান্স ক্যাফের সামনে
 
তুমি আসবে বলে আমি অপলক সয়ে গেছি প্রতীক্ষার তীব্র দহন
বিকেল গড়িয়ে নতজানু হল সন্ধ্যার কাছে
 
অবশেষে সে এলো কাঁচ কুয়াশায় হিম শূন্যতায় ঝুলতে ঝুলতে
 
লীর চোখে মেঘ জমেছে
 
লী ব্রাউন!
আমার ভালোবাসার ডাক নাম
 
ভালো থাকার টনিক
 
আমি লীর হাতে তুলে দিলাম রডোডনড্রেন গুচ্ছ
 
তারপর জিজ্ঞাসু চোখে তাকালাম
 
লীর চোখে সমর্পণের আভাস
অনেক কিছুই বলা হয়ে যায় চোখের গভীরতায়
যে কথা যায় না বলা
আমি লীর ঠোঁটে কিছু উত্তাপ ছড়িয়ে দিলাম
 
রাতের নিয়ন আলোয়
উষ্ণতায় কেঁপে উঠলো ভালোবাসা
 
যে উষ্ণতা চায় সমস্ত বৃক্ষ শিশিরের স্পর্শে
 
লী সম্মোহনের স্বরে বলল, আবার আসবে, ঠিক এভাবেই।
 
সেই থেকে আমার আসা এবং চলে যাওয়া শুরু
চলে যাওয়া যায় না কিছুতেই
 
মন ফেরে না তবু ফিরে যেতে হয়
 
সাথে কিছু প্রতিশ্রুতি এবং অপনোদন
 
আমি একা ফুটপাত ধরে হাঁটতে থাকি
সাথে একটি ছায়ামূর্তি
 
মিলিয়ে গেল ঈশ্বর কণার মতো
 
দৃশ্যত মানসী দৃশ্যহীনতায়
 
যেমন যায়!

তারিখঃ ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ খ্রি., সুমিত চক্রবর্তীর খাঁচা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাশিয়ার কবিতা

তোমার জন্য রজনীগন্ধা দিন

জার্মানির কবিতা