বোধিসত্ত্ব

                                                   
               উৎসর্গঃ শ্রদ্ধাস্পদেষু প্রীতিভাজনেষু মরমি সাধক জহির অচিনপুরী ভাইকে।


কবিতাপুর
কতদূর? 
কোথায় চৈতন্যবৃক্ষ? 
সৃষ্টির সকল আঁধার এবং নিস্তব্ধতা
কি আশ্চর্য!
বিচরণশীল একটি পাখির মত
সমস্ত জেনিন আমার বুক জুড়ে
হিমাংকের তুষারের চাঁই
কসম এই হেবরণের
কসম আগুনঝরা আকাশগ্রন্থির আর কসম সিনাই পাহাড়
সাক্ষী থাকো হে মুহাম্মদ
 
সাক্ষী থাক তোমার কোরআন
সাক্ষী থাকো হে মুসা
সাক্ষী থাক তোমার তাওরাত
সাক্ষী থাকো হে দাউদ
সাক্ষী থাক তোমার যবুর
সাক্ষী থাকো হে ঈসা
সাক্ষী থাক তোমার ইনযিল
 
সাক্ষী থাকো হে নীল লোহিত সাগর
সাক্ষী থাকো নূহের তাজল্লিতে দগ্ধ কোহেতুর

সাক্ষী থাকো আমার প্রিয় শান্তির স্বদেশ
জেনে নাও বিশ্বের সকল মানুষ সেদিন দূরে নয়
আমার রক্ত ও কাফনহীন লাশ
একদিন জেগে উঠবে পুনরুত্থান দিবসের মতো

তোমরা যাকে কাঁধে করে নিয়ে যাচ্ছো 
তার সাতকুলেরও কেউ নই আমি
 
তবু বুকের ভেতর যন্ত্রণার কবর রচিত হচ্ছে
 
এ পৃথিবী আমার নয়
 
আমি কারো কেউ ছিলাম না কোন কালে
একটা সাদা ঘোড়া স্বপ্নের ভেতর পায়চারি করে
 
জাবাল পাহাড়ের মত খাক্কুসে স্বপ্নেরা চিলেকোঠার রোদে ডানা ঝাপটায়
দূরের দিনগুলো ত্রস্তপায়ে এগিয়ে আসছে আমাদের আয়ুর খুব কাছাকাছি
 
আমার নিঃশ্বাসেরও সন্নিকটে টের পাই তোমার অস্তিত্ব
 
একটা আজদাহা সাপ ফণা তুলে আস্ফালন করছে ক্রমাগত
 
ফেরুপালের দলে অরণ্য রোদন
আমিত্বের দর্প চূর্ণ হবে মুহুর্তেই
কেরামুন-কাতিমুন আমার অন্তরাত্মা বিকশিত করে
 
 এবং মুনকির-নাকির ধাবিত করে শুদ্ধতার পথে
পরাবাস্তবতার পথে হাঁটে আমার প্রকাশ ইচ্ছেরা
 
এবং কবিতার শব্দাবলি ক্রমশ ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে 
চেতনার প্রিয় উচ্চারণে!


মন্তব্যসমূহ

  1. শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রিয়ব্যক্তিত্ব, কবি, গীতিকার, সুরকার, মরমি শিল্পী এবং সর্বোপরি বড় ভাই।

    উত্তরমুছুন
  2. এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

রাশিয়ার কবিতা

তোমার জন্য রজনীগন্ধা দিন

জার্মানির কবিতা